ইসরায়েলের হামলা থেকে বাদ যাচ্ছে না গাজার স্কুল-কলেজ হাসপাতাল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। সবখানের হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মদদপুষ্ট এই দখলদার বাহিনী। এবার ফিলিস্তিনের একটি মসজিদে হামলা চালিয়েছে তারা। এতে প্রাথমিকভাবে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
রোববার (২২ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে জেনিন শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত আল-আনসার মসজিদের নিচে কম্পাউন্ডে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। হামলায় একজন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফিলিস্তিনের চিকিৎসকরা।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলেছে, হামাস ওই মসজিদটিকে কমান্ড সেন্টার হিসেবে করছিল। সেখান থেকে তারা সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের জন্য নানান ছক আঁকছিল। তাদের দাবি, হামলা চালানোর পর হামাস এবং ইসলামিক জিহাদের বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন।
এদিকে ইসরায়েলি অবরোধে গাজার হাসপাতালগুলোতে চলছে তীব্র খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং জরুরি ওষধের সংকট। বন্ধ রয়েছে হাসপাতালের বিদ্যুৎ ও জেনারেটরের ব্যবস্থা। এমন অবস্থায় গাজার বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য মাত্র ২০ ট্রাক ত্রাণ সাহায্যকে মহাসাগরে এক ফোঁটা পানির সঙ্গে তুলনা করেছে জাতিসংঘ।
অন্যদিকে হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাত শুরু হওয়ার পর কয়েক হাজার ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতার করেছে ইসরায়েল। সংঘাতের আগে ইসরায়েলের কারাগারে যত ফিলিস্তিনি বন্দি ছিলেন এখন তা দ্বিগুণ হয়ে ১০ হাজার ছাড়িয়েছে।
এর আগে, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন রকেট হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। এরপর গাজায় পাল্টা বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। টানা দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে এই সংঘাত চলছে। ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় এখন পর্যন্ত ৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০ এর বেশি শিশু।






